মহাকাশের নতুন প্রতিবেশী: GJ 887
কবি : আব্দুল মুসরেফ খাঁন
দশ আলোকবর্ষ দূরে ঐ নীলিমার গায়,
নতুন এক পৃথিবীর খবর পাওয়া যায়।
রাত্রির নিস্তব্ধে টেলিস্কোপে চোখ,
বিজ্ঞানীদের মনে আজ খুশির আলোক।
লাল বামন সূর্য তার শান্ত বড় বেশ,
ঝড়ঝাপটা নেই কোনো, নেই উত্তাপের রেশ।
তাকে ঘিরে ঘোরে গ্রহ 'সুপার-আর্থ' নামে,
খবরটি এলো আজ বৈজ্ঞানিক খামে।
বাসযোগ্য মণ্ডলে সে পেতেছে আসন,
প্রাণের স্পন্দন বুঝি দেবে দরশন?
পাথর কি মাটি আছে? আছে কি জল?
নাকি শুধুই মেঘেদের লুকোচুরি দল?
পৃথিবীর চেয়ে বড়, বিশাল তার কায়া,
হয়তো বা আছে সেথা ছায়াঘন মায়া।
অচিন দেশের সেই অচেনা ভুবন,
মুগ্ধ চোখে চেয়ে রয় বিজ্ঞান মন।
মহাকাশ পারাবারে আলোর ইশারায়,
নতুন কোনো বসতি কি আমাদের পায়?
সূর্যের মতো নয় ওই নক্ষত্র লাল,
তবুও সেথায় বুঝি কাটবে সুকাল।
কল্পনা ডানা মেলে সুদূরের পানে,
প্রাণের উৎস খুঁজি গ্রহটির গানে।
সেথা কি পাহাড় আছে? নদী কি বয়?
কবে হবে সেই দেশ আমাদের জয়?
বায়ুমণ্ডল আছে কি সজীব ও তাজা?
হয়তো সেথায় কোনো প্রকৃতির রাজা।
আবিষ্কারে খুলে যায় স্বপ্নের দ্বার,
মহাবিশ্বে একা নই আমরা আর।
জ্ঞানের তরণী চড়ে অজানাকে জানি,
বিজ্ঞানের জয়গান হৃদয়ে বাখানি।
GJ 887 d ডাকিছে আমায়,
নতুন ঊষার আলো ওই দেখা যায়।
0 Comments