মহাভারতের বিরাটপর্বে পাণ্ডবদের এক বছরের অজ্ঞাতবাসের কাহিনী

 


মহাভারতের বিরাটপর্বে পাণ্ডবদের এক বছরের অজ্ঞাতবাসের কাহিনী

মহাভারতের বিরাটপর্বে পাণ্ডবদের এক বছরের অজ্ঞাতবাসের কাহিনী অত্যন্ত রোমাঞ্চকর কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে এটিই ছিল পাণ্ডবদের শেষ কঠিনতম পরীক্ষা নিচে এই পর্বের প্রধান কাহিনীগুলোর একটি তালিকা দেওয়া হলো:

. ছদ্মবেশ পরিচয় গ্রহণ

অজ্ঞাতবাসের শর্ত অনুযায়ী পাণ্ডবদের এমনভাবে থাকতে হতো যেন কেউ তাদের চিনতে না পারে। তারা মৎস্য দেশের রাজা বিরাটের রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন নামে পেশায় যোগ দেন:

·         যুধিষ্ঠির (কঙ্ক): রাজার পাশা খেলার সঙ্গী উপদেষ্টা

·         ভীম (বল্লভ): রাজকীয় পাকশালার রাঁধুনি মল্লযোদ্ধা

·         অর্জুন (বৃহন্নলা): রাজকুমারী উত্তরার নৃত্য গীত শিক্ষক (ক্লীব বেশে)

·         নকুল (গ্রন্থিক): অশ্বশালার রক্ষক

·         সহদেব (তন্তিপাল): গবাদি পশুর তদারককারী

·         দ্রৌপদী (সৈরিন্ধ্রী): রানী সুদেষ্ণার কেশবিন্যাসকারিণী পরিচারিকা

. কীচক বধ

বিরাটের সেনাপতি রানীর ভাই কীচক দ্রৌপদীর প্রতি আসক্ত হয়ে তাকে অপমান করার চেষ্টা করে। দ্রৌপদীর অপমানের প্রতিশোধ নিতে ভীম গোপনে নাট্যশালায় কীচককে আমন্ত্রণ জানান এবং মল্লযুদ্ধে তাকে পিষে মেরে ফেলেন। এটি অজ্ঞাতবাসের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

. গোগৃহ যুদ্ধ (গোরু চুরি)

কীচকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দুর্যোধন সন্দেহ করেন যে এটি ভীমের কাজ হতে পারে। পাণ্ডবদের খুঁজে বের করতে ত্রিগর্তরাজ সুশর্মা এবং কৌরবরা দুই দিক থেকে বিরাট রাজ্যের গোরু চুরি করে আক্রমণ করেন

·         দক্ষিণ গোগৃহ: সুশর্মার বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাজা বিরাট বন্দি হন, কিন্তু ভীম যুধিষ্ঠির তাকে উদ্ধার করেন

·         উত্তর গোগৃহ: কৌরবদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে রাজকুমার উত্তরকে নিয়ে বৃহন্নলা (অর্জুন) যান। অর্জুন তার শমী গাছে লুকিয়ে রাখা গাণ্ডীব ধনু বের করেন এবং একাই ভীষ্ম, দ্রোণ কর্ণসহ পুরো কৌরব বাহিনীকে পরাজিত করেন

. পরিচয় প্রকাশ অভিমন্যুর বিবাহ

অজ্ঞাতবাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পাণ্ডবরা তাদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেন। রাজা বিরাট কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তার কন্যা উত্তরার সাথে অর্জুনের পুত্র অভিমন্যুর বিবাহ দেন। এই বিবাহের মাধ্যমেই পাণ্ডব মৎস্য রাজ্যের মধ্যে শক্তিশালী মিত্রতা তৈরি হয়

মহাভারতের বিরাটপর্বের 'কীচক বধ' একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের ১৩তম বর্ষে মৎস্য দেশে এই ঘটনাটি ঘটেছিল নিচে এর বিস্তারিত কাহিনী দেওয়া হলো:

. কীচকের কামাসক্তি

বিরাট রাজার শ্যালক এবং মৎস্য দেশের সেনাপতি ছিলেন কীচক তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী প্রভাবশালী ছিলেন। একদিন রানী সুদেষ্ণার পরিচারিকা হিসেবে কাজ করা সৈরিন্ধ্রী (দ্রৌপদী)-কে দেখে কীচক কামাসক্ত হয়ে পড়েন। তিনি দ্রৌপদীকে নানাভাবে উত্যক্ত করতে শুরু করেন এবং রানীকে বাধ্য করেন যেন দ্রৌপদীকে তার ঘরে মদ্য আনতে পাঠানো হয়

. দ্রৌপদীর অপমান

রাজার আদেশে দ্রৌপদী যখন অনিচ্ছাসত্ত্বেও কীচকের প্রাসাদে যান, তখন কীচক তাকে অপমান করার এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। দ্রৌপদী সেখান থেকে পালিয়ে রাজসভায় বিচার চাইতে যান, কিন্তু শক্তিশালী কীচকের ভয়ে রাজা বিরাট বা উপস্থিত সভাসদগণ কেউ তাকে সাহায্য করতে সাহস পাননি। এমনকি সেখানে ছদ্মবেশে থাকা যুধিষ্ঠিরও (কঙ্ক) ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়ে চুপ থাকতে বাধ্য হন

. ভীমের সাথে পরিকল্পনা

অপমানে জজ্জরিত দ্রৌপদী গভীর রাতে পাকশালায় গিয়ে বল্লভ (ভীম)-এর সাথে দেখা করেন। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং কীচকের হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানান। ভীম তখন একটি গোপন পরিকল্পনা করেন। তিনি দ্রৌপদীকে বলেন, তিনি যেন পরদিন রাতে কীচককে নির্জন 'নৃত্যশালা'-তে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান

. নাট্যশালায় খণ্ডযুদ্ধ

পরদিন রাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী কীচক মনে মনে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে অন্ধকারে সেই নৃত্যশালায় পৌঁছান। সেখানে বিছানায় চাদর মুড়ি দিয়ে কেউ একজন শুয়ে ছিল। কীচক মনে করেছিলেন তিনি দ্রৌপদী, কিন্তু আসলে সেখানে ওত পেতে ছিলেন স্বয়ং ভীম

কীচক বিছানায় থাকা ব্যক্তিকে স্পর্শ করতেই ভীম হুঙ্কার দিয়ে লাফিয়ে ওঠেন। দুই বীরের মধ্যে প্রচণ্ড মল্লযুদ্ধ শুরু হয়। ভীম তার অমানুষিক শক্তি দিয়ে কীচককে জাপটে ধরেন এবং তার হাত-পা দুমড়ে-মুচড়ে তাকে এক মাংসপিণ্ডে পরিণত করেন। এভাবেই কীচকের নৃশংস মৃত্যু ঘটে

. ঘটনার ফলাফল

·         কৌরবদের সন্দেহ: কীচকের মতো মহাবলশালী বীরকে সাধারণ কেউ মারতে পারে নাএই ধারণা থেকে দুর্যোধন সন্দেহ করতে শুরু করেন যে এটি ভীমের কাজ হতে পারে

·         মৎস্য রাজ্যের সুরক্ষা: কীচকের মৃত্যুতে বিরাট রাজ্যের রাজকীয় দাপট কিছুটা কমে গেলেও দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা হয়

·         অজ্ঞাতবাসের শেষ: এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কৌরবরা বিরাট রাজ্য আক্রমণ করে, যার ফলে পাণ্ডবদের পরিচয় প্রকাশের পথ প্রশস্ত হয়

মহাভারতের 'গোগৃহ যুদ্ধ' বা গোরু চুরির যুদ্ধ ছিল পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের শেষ পর্যায়ের সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা এই যুদ্ধটি দুই ভাগে বিভক্ত ছিলদক্ষিণ গোগৃহ এবং উত্তর গোগৃহ অর্জুনের আসল বীরত্ব প্রকাশ পেয়েছিল উত্তর গোগৃহের যুদ্ধে

. যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

কীচক বধের সংবাদ শুনে দুর্যোধন নিশ্চিত হন যে, এমন কাজ কেবল ভীমই করতে পারেন। তাই পাণ্ডবদের ছদ্মবেশ ফাঁস করতে তিনি মৎস্য দেশ আক্রমণের পরিকল্পনা করেন। ত্রিগর্তের রাজা সুশর্মা দক্ষিণ দিক থেকে এবং কৌরবরা উত্তর দিক থেকে বিরাট রাজ্যের হাজার হাজার গোরু লুণ্ঠন করতে শুরু করেন

. উত্তর গোগৃহ অর্জুনের ছদ্মবেশ ত্যাগ

বিরাট রাজা তখন সুশর্মার সাথে যুদ্ধে ব্যস্ত ছিলেন। প্রাসাদে খবর আসে যে কৌরবরা উত্তর দিকের গোরু নিয়ে যাচ্ছে। তখন রাজকুমার উত্তর অহংকার করে বলেন যে, তার যদি কোনো দক্ষ সারথি থাকত তবে তিনি একাই কৌরবদের হারাতেন। দ্রৌপদীর পরামর্শে বৃহন্নলা (অর্জুন) সারথি হতে রাজি হন

কিন্তু রণক্ষেত্রে ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ দুর্যোধনকে দেখে রাজকুমার উত্তর ভয়ে রথ ছেড়ে পালাতে শুরু করেন। তখন অর্জুন তাকে থামিয়ে নিজের আসল পরিচয় দেন এবং বলেন:

"ভয় পেয়ো না উত্তর, আজ তুমি সারথি হও, আর আমি যুদ্ধ করব।"

. শমী বৃক্ষ গাণ্ডীব উদ্ধার

অর্জুন উত্তরকে নিয়ে সেই শমী গাছের কাছে যান যেখানে পাণ্ডবরা তাদের অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন। সেখান থেকে তিনি তার দিব্য ধনু 'গাণ্ডীব' এবং অক্ষয় তূণীর বের করেন। গাণ্ডীবের টঙ্কারে চারদিক কেঁপে ওঠে, যা শুনে কৌরব শিবিরের মহারথীরা বুঝতে পারেন যে অর্জুন এসে গেছেন

. অর্জুনের একক বীরত্ব

উত্তর গোগৃহের এই যুদ্ধ ছিল মূলত এক বনাম বহু অর্জুন একা রথে চড়ে কৌরবদের বিশাল বাহিনীকে আক্রমণ করেন:

·         ভীষ্ম দ্রোণের বিরুদ্ধে: অর্জুন তার গুরু দ্রোণাচার্য এবং পিতামহ ভীষ্মের চরণে বাণ নিক্ষেপ করে প্রণাম জানান এবং তারপর যুদ্ধ শুরু করেন

·         কর্ণের পরাজয়: যুদ্ধের এক পর্যায়ে অর্জুন কর্ণের ভাই বিকর্ণকে পরাজিত করেন এবং কর্ণের সাথে তুমুল যুদ্ধ করে তাকে পিছু হটতে বাধ্য করেন

·         সম্মোহন অস্ত্র: অর্জুন 'সম্মোহন' নামক এক দিব্য অস্ত্র প্রয়োগ করেন, যার প্রভাবে ভীষ্ম ছাড়া পুরো কৌরব সেনাবাহিনী (দুর্যোধন, দুঃশাসনসহ সবাই) সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে

. বিজয়ী বেশে প্রত্যাবর্তন

অর্জুন রাজকুমার উত্তরকে বলেন কৌরব বীরদের উজ্জ্বল পোশাকের কিছু অংশ কেটে নিতে, যাতে সেগুলো উত্তরার পুতুলের জামা তৈরির কাজে লাগে। এরপর কৌরবরা পরাজিত হয়ে পালিয়ে যায় এবং অর্জুন পুনরায় বৃহন্নলার ছদ্মবেশ ধারণ করে রাজ্যে ফিরে আসেন

যুদ্ধের ফলাফল:

এই যুদ্ধের ঠিক পরেই পাণ্ডবদের এক বছরের অজ্ঞাতবাসের সময়সীমা পূর্ণ হয়। কৌরবরা দাবি করেছিলেন যে সময় শেষ হওয়ার আগেই অর্জুন ধরা পড়েছেন, কিন্তু পিতামহ ভীষ্ম গণনা করে বুঝিয়ে দেন যে পাণ্ডবরা তাদের শর্ত ঠিকঠাক পালন করেছেন

মহাভারতের বিরাটপর্বের শেষ এবং আনন্দময় অংশটি হলো পাণ্ডবদের পরিচয় প্রকাশ এবং অভিমন্যুর বিবাহ অজ্ঞাতবাসের কঠিন সময় পার হওয়ার পর এই ঘটনাটি পাণ্ডবদের জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক পারিবারিক শক্তির সূচনা করে

. অজ্ঞাতবাসের সমাপ্তি পরিচয় প্রকাশ

উত্তর গোগৃহের যুদ্ধে কৌরবদের পরাজিত করার পর অর্জুন রাজকুমার উত্তর যখন মৎস্য দেশে ফিরে আসেন, তখন রাজা বিরাট তখনও জানতেন না যে তাঁর সন্তানদের শিক্ষক আসলে মহাবীর অর্জুন

·         যুধিষ্ঠিরের প্রকাশ: যুদ্ধ জয়ের পর রাজা বিরাট তাঁর 'কঙ্ক' (যুধিষ্ঠির)-এর সাথে পাশা খেলছিলেন এবং নিজের ছেলে উত্তরের প্রশংসা করছিলেন। কঙ্ক যখন বারবার বলছিলেন যে "বৃহন্নলা সাথে ছিল বলেই এই জয় সম্ভব হয়েছে", তখন রাজা রেগে গিয়ে যুধিষ্ঠিরের নাকে পাশার ঘুঁটি ছুড়ে মারেন, যা থেকে রক্তপাত হয়। দ্রৌপদী (সৈরিন্ধ্রী) দ্রুত সেই রক্ত পাত্রে ধরে রাখেন (যাতে রক্ত মাটিতে পড়ে রাজার অমঙ্গল না হয়)

·         তৃতীয় দিনে প্রকাশ: অজ্ঞাতবাসের নির্দিষ্ট সময় পূর্ণ হওয়ার পর, এক শুভ দিনে পাঁচ ভাই এবং দ্রৌপদী রাজকীয় পোশাকে সজ্জিত হয়ে বিরাটের রাজসভায় উপস্থিত হন। রাজা বিরাট প্রথমে অবাক ক্রুদ্ধ হলেও, যখন অর্জুন তাঁর পরিচয় দেন এবং যুধিষ্ঠিরকে পরম শ্রদ্ধায় সিংহাসনে বসান, তখন রাজা বিরাট নিজের ভুল বুঝতে পারেন। তিনি পাণ্ডবদের কাছে ক্ষমা চান এবং আনন্দিত হয়ে তাঁর পুরো রাজ্য পাণ্ডবদের অর্পণ করতে চান

. অভিমন্যুর বিবাহ প্রস্তাব

রাজা বিরাট কৃতজ্ঞতাস্বরূপ এবং পাণ্ডবদের সাথে স্থায়ী মিত্রতা গড়ার লক্ষে তাঁর কন্যা উত্তরাকে অর্জুনের হাতে তুলে দিতে চান। কিন্তু অর্জুন অত্যন্ত বিনম্রভাবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে একটি সুন্দর যুক্তি দেন:

"মহারাজ, আমি এক বছর উত্তরাকে নৃত্য গীত শিক্ষা দিয়েছি। সেই হিসেবে তিনি আমার কন্যার মতো। তাই আমি তাঁকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে পারি না।"

অর্জুন প্রস্তাব দেন যে, উত্তরাকে যেন তাঁর পুত্র অভিমন্যুর (যিনি শ্রীকৃষ্ণের ভাগ্নে এবং সুভদ্রার পুত্র) সাথে বিবাহ দেওয়া হয়। রাজা বিরাট সানন্দে এই প্রস্তাবে রাজি হন

. উপপ্লব্য নগরে মহাবিবাহ

মৎস্য দেশের উপপ্লব্য নামক স্থানে এই বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই বিবাহটি ছিল মহাভারতের ইতিহাসে একটি বড় রাজনৈতিক মিলনমেলা:

·         শ্রীকৃষ্ণের আগমন: দ্বারকা থেকে শ্রীকৃষ্ণ বলরাম সসৈন্যে যোগ দেন

·         মিত্রদের সমাবেশ: পাঞ্চাল রাজ দ্রুপদ, তাঁর পুত্র ধৃষ্টদ্যুম্ন এবং শিখণ্ডীসহ অসংখ্য আত্মীয় রাজন্যবর্গ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন

·         রাজনৈতিক গুরুত্ব: এই বিবাহের মাধ্যমেই পাণ্ডবরা বুঝতে পারেন যে কৌরবদের বিরুদ্ধে আসন্ন যুদ্ধে তাঁদের পাশে মৎস্য পাঞ্চালের মতো শক্তিশালী রাজ্যগুলো রয়েছে

. যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু

অভিমন্যু উত্তরার বিবাহের আনন্দ অনুষ্ঠানের রেশ কাটতে না কাটতেই পাণ্ডবরা তাঁদের হৃত রাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য দূত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। এখান থেকেই কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের কূটনৈতিক প্রস্তুতি শুরু হয়

@আব্দুল মুসরেফ খাঁন @কনকপুর 🌐@পাঁশকুড়া।।


Post a Comment

0 Comments